পাইওনিয়ার হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ

জনপ্রিয় লেখা

এসএসসি জিপিএ গ্রেডিং পদ্ধতি

সূচিপত্র

ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এসএসসি জিপিএ হিসাব করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি ভুল হয় দুই জায়গায়: চতুর্থ বিষয়ের পয়েন্ট যোগ করতে গিয়ে আর কয় দিয়ে ভাগ করতে হবে তা বুঝতে গিয়ে। সঠিক নিয়মটি সহজ: ৯টি মূল বিষয়ের গ্রেড পয়েন্ট যোগ করুন, তার সঙ্গে চতুর্থ বিষয়ের বোনাস যোগ করুন, তারপর ৯ দিয়ে ভাগ করুন। এই লেখায় গ্রেড টেবিল, ধাপে ধাপে হিসাব, কাজ করা উদাহরণ, আর ভাজক নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করা, সব একসঙ্গে দেওয়া হলো।

এই লেখাটি হিসাবের নিয়মের গাইড, বোর্ডের অফিসিয়াল নথি নয়। বোর্ড বা এনসিটিবির মূল নথি এই রিসার্চে সরাসরি পড়া যায়নি, তবে নিচের নিয়ম সংখ্যাগরিষ্ঠ বোর্ড-অনুসরণকারী সূত্রের সঙ্গে মেলে। চূড়ান্ত ফল সবসময় বোর্ডের প্রকাশিত মার্কশিট অনুযায়ী ধরতে হবে।

গ্রেড টেবিল একনজরে

বাংলাদেশের সব শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার জন্য একই গ্রেডিং সিস্টেম প্রযোজ্য। পাসের সর্বনিম্ন নম্বর ৩৩, গ্রেড D। স্কেল ০.০০ থেকে ৫.০০ পর্যন্ত।

প্রাপ্ত নম্বর লেটার গ্রেড গ্রেড পয়েন্ট
৮০ থেকে ১০০ A+ ৫.০০
৭০ থেকে ৭৯ A ৪.০০
৬০ থেকে ৬৯ A- ৩.৫০
৫০ থেকে ৫৯ B ৩.০০
৪০ থেকে ৪৯ C ২.০০
৩৩ থেকে ৩৯ D ১.০০
০ থেকে ৩২ F ০.০০

এসএসসিতে মোট কয়টি বিষয়

এসএসসিতে মোট ১০টি বিষয় থাকে। এর মধ্যে ৯টি মূল বিষয়, আর ১টি চতুর্থ বা ঐচ্ছিক বিষয়। ৯টি মূল বিষয়ের গ্রেড পয়েন্ট দিয়েই জিপিএ বের হয়, চতুর্থ বিষয় শুধু বোনাস দেওয়ার সুযোগ দেয়। ৫টি আবশ্যিক বিষয় সব বিভাগের জন্য একই: বাংলা, ইংরেজি, গণিত, ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, আর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। বাংলা ১ম ও ২য় পত্র মিলে বাংলার একটি বিষয়, ইংরেজির ক্ষেত্রেও একই নিয়ম। এর সঙ্গে বিভাগভিত্তিক বিষয় যোগ হয়। বিজ্ঞান বিভাগে থাকে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, আর উচ্চতর গণিতের মধ্যে একটি মূল ও একটি চতুর্থ বিষয়।

জিপিএ হিসাবের ধাপ

প্রথম ধাপে প্রতিটি বিষয়ের নম্বরকে গ্রেড টেবিল অনুযায়ী গ্রেড পয়েন্টে রূপান্তর করুন। মনে রাখুন, শতাংশ নম্বরের গড় করে জিপিএ বের করা যায় না। প্রথমে প্রতিটি বিষয়ের নম্বরকে গ্রেড পয়েন্টে বদলাতে হয়, তারপর গড় করতে হয়। দ্বিতীয় ধাপে ৯টি মূল বিষয়ের গ্রেড পয়েন্ট যোগ করুন। তৃতীয় ধাপে চতুর্থ বিষয়ের বোনাস বের করুন, যার নিয়ম পরের অংশে দেওয়া হলো। চতুর্থ ধাপে মূল বিষয়ের যোগফলের সঙ্গে বোনাস যোগ করুন। পঞ্চম ধাপে মোট যোগফলকে ৯ দিয়ে ভাগ করুন। চতুর্থ বিষয় কখনো ভাজকে যোগ হয় না। শেষ ধাপে ফল ৫.০০ এর বেশি হলে জিপিএ ৫.০০ ধরা হয়, কারণ জিপিএর সর্বোচ্চ সীমা ৫.০০।

সূত্র এক লাইনে: জিপিএ = (৯টি মূল বিষয়ের গ্রেড পয়েন্টের যোগফল + চতুর্থ বিষয়ের বোনাস) ভাগ ৯, সর্বোচ্চ ৫.০০।

চতুর্থ বিষয়ের বোনাস কীভাবে যোগ হয়

চতুর্থ বিষয়ের বোনাসের সূত্র: বোনাস = চতুর্থ বিষয়ের গ্রেড পয়েন্ট বিয়োগ ২.০০। ফল ঋণাত্মক হলে বোনাস শূন্য। অর্থাৎ চতুর্থ বিষয় কখনো জিপিএ কমাতে পারে না, শুধু বাড়াতে পারে।

চতুর্থ বিষয়ের গ্রেড গ্রেড পয়েন্ট বোনাস
A+ ৫.০০ ৩.০০
A ৪.০০ ২.০০
A- ৩.৫০ ১.৫০
B ৩.০০ ১.০০
C বা তার কম ২.০০ বা কম ০.০০

বইয়ের পাশে সবুজ ক্যালকুলেটর দিয়ে হিসাব করছে হাত

কাজ করা উদাহরণ

প্রথম উদাহরণ: একজন বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীর ৯টি মূল বিষয়ের পয়েন্টের যোগফল ৪১। চতুর্থ বিষয়ে A+ (৫.০০) পেয়েছে, তাই বোনাস ৫.০০ বিয়োগ ২.০০ = ৩.০০। মোট ৪১ + ৩ = ৪৪। জিপিএ = ৪৪ ভাগ ৯ = ৪.৮৯। দ্বিতীয় উদাহরণ: ৯টি মূল বিষয়ের যোগফল ৪২, চতুর্থ বিষয়ে A+ পেয়ে বোনাস ৩.০০, মোট ৪৫। জিপিএ = ৪৫ ভাগ ৯ = ৫.০০। এই শিক্ষার্থী জিপিএ ৫.০০ পেলেও গোল্ডেন এ প্লাস নয়, কারণ সব বিষয়ে আলাদাভাবে A+ পায়নি। তৃতীয় উদাহরণ: চতুর্থ বিষয়ে C (২.০০) পেলে বোনাস শূন্য, জিপিএ শুধু মূল ৯টি বিষয়ের গড়। চতুর্থ বিষয়ে D বা F পেলেও বোনাস শূন্য, কিন্তু মূল জিপিএ কমে না।

ভাজক নিয়ে বিভ্রান্তি: ৯, ১০, ১১

বিভিন্ন পেজে ভিন্ন ভাজক দেখা যায়, আর সবগুলো একসঙ্গে সঠিক হতে পারে না। সঠিক ভাজক ৯, কারণ মূল বিষয় ৯টি। ভাজক ১০ এর ভুলটি হলো চতুর্থ বিষয়কেও ভাজকে ধরা আর বোনাস নিয়ম প্রয়োগ না করা। ভাজক ১১ এর ভুলটি হলো পত্রকে বিষয় ধরা: বাংলা ১ম পত্র, বাংলা ২য় পত্র, ইংরেজি ১ম পত্র, ইংরেজি ২য় পত্রকে আলাদা আলাদা বিষয় ধরলে সংখ্যা বেড়ে ১১ হয়। কিন্তু বোর্ডের হিসাবে বাংলা দুই পত্র মিলে একটি বিষয়, ইংরেজি দুই পত্র মিলে একটি বিষয়, তাই মূল বিষয় ৯টি। পত্র আর বিষয় এক নয়, এই পার্থক্যটাই মনে রাখুন।

মূল বিষয়ে ফেল করলে কী হয়

কোনো আবশ্যিক বা বিভাগীয় মূল বিষয়ে F (০ থেকে ৩২ নম্বর, পয়েন্ট ০.০০) পেলে পুরো পরীক্ষার ফল ফেল হয়। অন্য সব বিষয়ে যত ভালো ফলই থাকুক, চূড়ান্ত জিপিএ ০.০০ দেখানো হয় এবং বোর্ড কোনো জিপিএ প্রকাশ করে না। ফেল করা বিষয়ে পরের বছর আবার পরীক্ষা দিতে হয়, শুধু অকৃতকার্য বিষয়গুলোতে অথবা চাইলে সব বিষয়ে।

চতুর্থ বিষয়ে ফেল করলে কী হয়

চতুর্থ বিষয়ে F পেলে মোট ফলাফল ফেল হয় না। অন্য সব মূল বিষয়ে পাস থাকলে ফল পাসই থাকে। চতুর্থ বিষয়ের গ্রেড পয়েন্ট ০.০০ দেখাবে, কিন্তু কোনো বোনাস যোগ হবে না। চতুর্থ বিষয়ে অনুপস্থিত থাকলেও একই নিয়ম: বোনাস শূন্য, মূল ফলে ক্ষতি নেই। অনেক শিক্ষার্থী মনে করে চতুর্থ বিষয়ে ফেল করলে পুরো ফল ফেল হবে, এই ধারণাটি ভুল।

গোল্ডেন এ প্লাস বনাম সাধারণ জিপিএ ৫.০০

গোল্ডেন এ প্লাস বোর্ডের কোনো অফিসিয়াল গ্রেড নয়। এটি প্রচলিত মুখের কথা। এর অর্থ: সব বিষয়ে আলাদাভাবে A+ (৮০ বা তার বেশি নম্বর) পাওয়া। আর সাধারণ জিপিএ ৫.০০ মানে চূড়ান্ত গড় ৫.০০ হওয়া, চতুর্থ বিষয়ের বোনাসের সাহায্যেও যা হতে পারে। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে বা চাকরিতে গোল্ডেন নামে আলাদা কোনো গ্রেড চাওয়া হয় না। তাই জিপিএ ৫.০০ পেলেই গোল্ডেন এ প্লাস বলা যায় না।

জিপিএ বনাম সিজিপিএ

এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ ব্যবহার হয়, স্কেল ৫.০০। এটি একটি পরীক্ষার ফল, সব বিষয়ের ওজন সমান। বিশ্ববিদ্যালয়ে সিজিপিএ ব্যবহার হয়, স্কেল সাধারণত ৪.০০। সিজিপিএ পুরো কোর্সের সব সেমিস্টারের গড়, এবং প্রতিটি কোর্সের ওজন তার ক্রেডিট ঘণ্টা অনুযায়ী হয়। অর্থাৎ ৪ ক্রেডিটের কোর্সের A+ এর প্রভাব ১ ক্রেডিটের ল্যাবের A+ এর চার গুণ। এসএসসির ৫.০০ স্কেলের জিপিএকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪.০০ স্কেলের সিজিপিএর সঙ্গে মেশানো যাবে না।

শিক্ষার্থীরা যেসব ভুল করে

প্রথম ভুল: চতুর্থ বিষয়ের পুরো পয়েন্ট যোগ করা। সঠিক নিয়ম: শুধু ২.০০ এর বেশি অংশ যোগ হয়। দ্বিতীয় ভুল: চতুর্থ বিষয়সহ ১০ দিয়ে ভাগ করা। সঠিক নিয়ম: ভাগ শুধু ৯টি মূল বিষয় দিয়ে। তৃতীয় ভুল: বাংলা ও ইংরেজির দুই পত্রকে আলাদা বিষয় ধরা। চতুর্থ ভুল: মনে করা চতুর্থ বিষয়ে ফেল করলে পুরো ফল ফেল হবে। পঞ্চম ভুল: মনে করা জিপিএ ৫.০০ মানেই গোল্ডেন এ প্লাস। ষষ্ঠ ভুল: শতাংশ নম্বরের গড় করে জিপিএ বের করা। সপ্তম ভুল: মনে করা ক্যালকুলেটরের ফলই অফিসিয়াল ফল। ক্যালকুলেটর শুধু অনুমান দেয়, চূড়ান্ত ফল বোর্ডের মার্কশিট।

সচরাচর প্রশ্ন

এসএসসি জিপিএ কীভাবে হিসাব করা হয়?
৯টি মূল বিষয়ের গ্রেড পয়েন্ট যোগ করুন, তার সঙ্গে চতুর্থ বিষয়ের বোনাস যোগ করুন, তারপর ৯ দিয়ে ভাগ করুন। ফল ৫.০০ এর বেশি হলে জিপিএ ৫.০০।

চতুর্থ বিষয়ের পয়েন্ট জিপিএতে কীভাবে যোগ হয়?
শুধু ২.০০ এর বেশি অংশ যোগ হয়। A+ পেলে বোনাস ৩.০০, A পেলে ২.০০, C বা কম পেলে বোনাস শূন্য।

জিপিএ হিসাব করার সময় কয় দিয়ে ভাগ করতে হয়, ৯, ১০ না ১১?
৯ দিয়ে। মূল বিষয় ৯টি। চতুর্থ বিষয় ভাজকে যোগ হয় না, আর পত্রকে বিষয় ধরা হয় না।

চতুর্থ বিষয়ে ফেল করলে কি পুরো রেজাল্ট ফেল হবে?
না। চতুর্থ বিষয়ে ফেল করলে শুধু বোনাস শূন্য হয়, মূল ফল পাসই থাকে।

কোনো মূল বিষয়ে ফেল করলে জিপিএ কত হবে?
কোনো মূল বিষয়ে ফেল করলে পুরো ফল ফেল হয় এবং জিপিএ ০.০০ দেখানো হয়।

গোল্ডেন এ প্লাস আর সাধারণ জিপিএ ৫.০০ এর মধ্যে পার্থক্য কী?
গোল্ডেন এ প্লাস মানে সব বিষয়ে আলাদাভাবে A+ পাওয়া, আর এটি অফিসিয়াল গ্রেড নয়। সাধারণ জিপিএ ৫.০০ মানে চূড়ান্ত গড় ৫.০০ হওয়া, চতুর্থ বিষয়ের বোনাস দিয়েও যা হতে পারে।

ফল দেখার নিয়ম জানতে আমাদের আগের গাইডটি দেখুন: এসএসসি রেজাল্ট দেখার নিয়ম। ফরম পূরণের নিয়ম এখানে: এসএসসি ২০২৭ ফরম পূরণের নিয়ম ও সময়সূচি। অফিসিয়াল ফল প্রকাশ সাইট: educationboardresults.gov.bd।

এই লেখার তথ্য ৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে যাচাই করা হয়েছে। বোর্ড নতুন নির্দেশনা দিলে এই পাতার তথ্য আপডেট করা হবে। (বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী; চূড়ান্ত ফল সবসময় বোর্ডের প্রকাশিত মার্কশিট অনুযায়ী ধরতে হবে।)

Jante Hobe

জানতে হবে একটি বাংলা জ্ঞানভিত্তিক ওয়েবসাইট। এখানে দৈনন্দিন জীবনের নানা প্রশ্নের সহজ, স্পষ্ট ও ব্যবহারিক উত্তর দেওয়া হয়, যাতে পাঠকেরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং আরও ভালো জীবন গড়তে পারেন।

https://jantehobe.com

সাম্প্রতিক লেখা

আলোচিত লেখা

সম্পাদকের পছন্দ

ক্লাসে বই পড়ছে ইউনিফর্ম পরা দুই কিশোর শিক্ষার্থী

এসএসসি ইংরেজি প্রস্তুতির কৌশল

ভালো লাগলে শেয়ার করুনইংরেজিতে ভালো করার মূলমন্ত্র একটাই: প্রতিদিন একটু করে পড়া, লেখা, আর গ্রামার অভ্যাস করা। একদিনে অনেক পড়ে সপ্তাহজুড়ে না পড়লে ইংরেজি এগোয় না। এই লেখাটি এসএসসি ইংরেজি প্রস্তুতির কৌশলের চিরসবুজ গাইড, শুধু সাজেশন তালিকা নয়। কোনো ফাঁস হওয়া প্রশ্ন, কোনো শতভাগ কমনের দাবি, কোনো ২০২৭ সালের পরীক্ষার তারিখ এই লেখায় নেই। এই...
স্কুল ডেস্কে খাতায় গণিতের সমীকরণ লিখছে শিক্ষার্থী

এসএসসি গণিত প্রস্তুতির কৌশল

ভালো লাগলে শেয়ার করুনগণিত মুখস্থের বিষয় নয়, অভ্যাসের বিষয়। যে শিক্ষার্থী প্রতিদিন অঙ্ক কষে, সে পরীক্ষার হলে নতুন প্রশ্ন দেখেও ঘাবড়ায় না। এই লেখাটি এসএসসি গণিত প্রস্তুতির কৌশলের চিরসবুজ গাইড, শুধু সাজেশন তালিকা নয়। কোনো ফাঁস হওয়া প্রশ্ন, কোনো শতভাগ কমনের দাবি, কোনো ২০২৭ সালের পরীক্ষার তারিখ এই লেখায় নেই। এই পাতাটি বোর্ডের অফিশিয়াল পেজ...
পরীক্ষার হলে আলাদা ডেস্কে লিখছে ইউনিফর্ম পরা শিক্ষার্থীরা

পরীক্ষার হলে করণীয় ও ওএমআর শিট ভরাটের নিয়ম

ভালো লাগলে শেয়ার করুনপরীক্ষার হলে ভুল সবচেয়ে বেশি হয় ওএমআর শিট ভরাটে। একটি ভুল সেট কোড বা একটি অসম্পূর্ণ বৃত্ত পুরো বিষয়ের ফল বদলে দিতে পারে। এই লেখাটি পরীক্ষার হলে করণীয় ও ওএমআর শিট ভরাটের নিয়মের চিরসবুজ গাইড, তারিখের খবর নয়। সময় ভাগ করে প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার নিয়ম এখানে দেওয়া হয়নি, কারণ সে বিষয়ে আলাদা...
স্কুল ল্যাবে গগলস মাস্ক গ্লাভস পরে রসায়ন পরীক্ষা করছে কিশোর শিক্ষার্থী

এসএসসি ব্যবহারিক পরীক্ষার নিয়ম

ভালো লাগলে শেয়ার করুনব্যবহারিক পরীক্ষায় নম্বর শুধু পরীক্ষার দিনের কাজে ওঠে না। নোটবুকের পরিচ্ছন্নতা, শিক্ষকের নিয়মিত স্বাক্ষর, ভাইভার প্রস্তুতি, আর পরীক্ষণের প্রতিটি অংশের নম্বর, সব মিলিয়ে ব্যবহারিকের ২৫ নম্বর তৈরি হয়। এই লেখাটি ব্যবহারিক পরীক্ষার নিয়মের চিরসবুজ গাইড, তারিখের খবর নয়। ব্যবহারিক পরীক্ষার তারিখ বোর্ড আলাদাভাবে ঘোষণা করে, তাই এই লেখায় কোনো ২০২৭ সালের ব্যবহারিক...
ডেস্কে বই নোট খাতা নিয়ে পড়ছে কিশোর শিক্ষার্থী

এসএসসি সিলেবাস ও নম্বর বিভাজন ২০২৭

ভালো লাগলে শেয়ার করুনএসএসসি ২০২৭ পরীক্ষা পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে হবে, এটাই নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য মূল কথা। তবে অনেক পেজ এখনো একে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস বলে চালাচ্ছে, আর নম্বর বিভাজনের পুরোনো কাঠামোও ঘুরছে। এই লেখায় পূর্ণাঙ্গ বনাম সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের বিভ্রান্তি, বিভাগভিত্তিক বিষয় তালিকা, আর নতুন নম্বর কাঠামো একসঙ্গে দেওয়া হলো। এই লেখায় রুটিনের কোনো তারিখ দেওয়া হয়নি, কারণ...

জানতে হবে একটি বাংলা জ্ঞানভিত্তিক ওয়েবসাইট। এখানে দৈনন্দিন জীবনের নানা প্রশ্নের সহজ, স্পষ্ট ও ব্যবহারিক উত্তর দেওয়া হয়।

অবশ্যই পড়ুন

© ২০২৬ জানতে হবে (jantehobe.com) — সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট: Raozan IT