পাইওনিয়ার হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ

জনপ্রিয় লেখা

এসএসসি সিলেবাস ও নম্বর বিভাজন ২০২৭

সূচিপত্র

ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এসএসসি ২০২৭ পরীক্ষা পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে হবে, এটাই নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য মূল কথা। তবে অনেক পেজ এখনো একে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস বলে চালাচ্ছে, আর নম্বর বিভাজনের পুরোনো কাঠামোও ঘুরছে। এই লেখায় পূর্ণাঙ্গ বনাম সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের বিভ্রান্তি, বিভাগভিত্তিক বিষয় তালিকা, আর নতুন নম্বর কাঠামো একসঙ্গে দেওয়া হলো। এই লেখায় রুটিনের কোনো তারিখ দেওয়া হয়নি, কারণ রুটিন নিয়ে সূত্রে মতভেদ এখনো মেটেনি। এই পাতাটি বোর্ড বা এনসিটিবির অফিশিয়াল পেজ নয়।

সতর্কতা: এনসিটিবির ২০২৭ সালের মূল নথি এই রিসার্চে সরাসরি পড়া যায়নি। নিচের তথ্য ২০২৬ সালের এনসিটিবি নির্দেশনা ও ২০২৭ গাইডের ভিত্তিতে দেওয়া হলো। চূড়ান্ত তথ্য নিজের স্কুল ও বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি থেকে মিলিয়ে নিন।

পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস না সংক্ষিপ্ত সিলেবাস

নিয়মিত ২০২৭ পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা পূর্ণাঙ্গ পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে হবে। অর্থাৎ নবম ও দশম শ্রেণির নির্ধারিত পাঠ্যবইয়ের সম্পূর্ণ পাঠ্যসূচি অনুসরণ করতে হবে। এটি শুধু বইয়ের প্রথম কয়েকটি অধ্যায় পড়া নয়। নির্ধারিত সব অধ্যায়, অনুশীলনী, গুরুত্বপূর্ণ ধারণা, ব্যবহারিক কাজ এবং পাঠ্যবইয়ের নির্দেশিত শিখনফল প্রস্তুত করতে হবে। বিভ্রান্তির কারণ: ২০২৫ সালের ২ জানুয়ারি প্রকাশিত এনসিটিবির একটি নথির আসল নাম পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি। এই নথিতে ৩২টি বিষয়ের সিলেবাস পুনর্বিন্যাস করা হয়েছিল, আর কিছু সাইট একে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস নামে প্রচার করেছে। পুনর্বিন্যাস আর সংক্ষিপ্তকরণ এক কথা নয়। ২০২৭ সালে এসএসসি পরীক্ষা দেবে এমন শিক্ষার্থীরা বিদ্যমান ২০১২ শিক্ষাক্রমের অধীনে পরীক্ষা দেবে। নতুন জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২৭ সাল থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি দিয়ে শুরু হচ্ছে, এসএসসি দিয়ে নয়।

নিয়মিত বনাম অনিয়মিত পরীক্ষার্থীর সিলেবাস

২০২৭ পরীক্ষায় তিন বর্ষের শিক্ষার্থী অংশ নেবে, আর সবার সিলেবাস এক নয়। ঢাকা বোর্ডের অক্টোবর ২০২৬ এর ফরম পূরণ নির্দেশনায় বলা আছে, নিয়মিত পরীক্ষার্থীরা ২০২৭ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রণীত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেবে, আর অনিয়মিত বা মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীরা ২০২৫ ও ২০২৬ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রণীত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেবে। অর্থাৎ এই আর্টিকেলের সিলেবাস ও নম্বর বিভাজন মূলত নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য। অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের নিজের বর্ষের সিলেবাস মিলিয়ে নিতে হবে।

বিভাগভিত্তিক বিষয় তালিকা

সব বিভাগের জন্য একই ৫টি আবশ্যিক বিষয়: বাংলা, ইংরেজি, গণিত, ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। বাংলা ১ম ও ২য় পত্র মিলে বাংলার একটি বিষয়, ইংরেজির ক্ষেত্রেও একই নিয়ম। এর সঙ্গে বিভাগভিত্তিক বিষয় যোগ হয়। মোট বিষয় ১০টি: ৯টি মূল বিষয় ও ১টি চতুর্থ বিষয়। বিজ্ঞান বিভাগ: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, উচ্চতর গণিত। জীববিজ্ঞান ও উচ্চতর গণিতের মধ্যে একটিকে চতুর্থ বিষয় হিসেবে বেছে নিতে হয়, অন্যটি মূল বিষয় থাকে। মানবিক বিভাগ: সাধারণ বিজ্ঞান, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ভূগোল ও পরিবেশ, পৌরনীতি ও নাগরিকতা অথবা অর্থনীতি, আর একটি চতুর্থ বিষয়। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ: সাধারণ বিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, ব্যবসায় উদ্যোগ, আর একটি চতুর্থ বিষয়। সতর্কতা: বিজ্ঞান বিভাগে সাধারণ বিজ্ঞান মূল বিষয় নয়, এটি মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের বিষয়।

নম্বর বিভাজনের পুরোনো বনাম নতুন কাঠামো

দুটি ভিন্ন নম্বর বিভাজন বিভিন্ন পেজে পাওয়া যায়, আর দুটোকে একসঙ্গে সঠিক বলা যাবে না। পুরোনো কাঠামো: ব্যবহারিক ছাড়া বিষয়ে সৃজনশীল ৭০ ও বহুনির্বাচনি ৩০। ব্যবহারিকসহ বিষয়ে তত্ত্বীয় ৭৫ (সৃজনশীল ৫০ ও বহুনির্বাচনি ২৫) ও ব্যবহারিক ২৫। নতুন কাঠামো: ব্যবহারিক ছাড়া বিষয়ে রচনামূলক ৭০ (সৃজনশীল ৫০ ও সংক্ষিপ্ত উত্তর ২০) ও বহুনির্বাচনি ৩০। ব্যবহারিকসহ বিষয়ে তত্ত্বীয় ৭৫ (সৃজনশীল ৪০, সংক্ষিপ্ত উত্তর ১০, বহুনির্বাচনি ২৫) ও ব্যবহারিক ২৫। নতুন কাঠামোর পক্ষে শক্ত প্রমাণ: ২০২৬ সালের ঢাকা বোর্ডের গণিত প্রশ্নপত্রে লেখা আছে সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন ২ গুণ ১০ = ২০ এবং সৃজনশীল প্রশ্ন ১০ গুণ ৫ = ৫০, মোট লিখিত ৭০, সঙ্গে বহুনির্বাচনি ৩০। অর্থাৎ বাস্তব প্রশ্নপত্রেই নতুন কাঠামো দেখা গেছে। এই আর্টিকেলে নতুন কাঠামোকে মূল টেবিল হিসেবে ব্যবহার করা হলো, আর ২০২৭ সালের বোর্ড বিজ্ঞপ্তিই চূড়ান্ত।

বিষয়ভিত্তিক নম্বর বিভাজন

বিষয় মোট বিভাজন
বাংলা ১ম পত্র ১০০ সৃজনশীল ৫০, বর্ণনামূলক ২০, বহুনির্বাচনি ৩০
বাংলা ২য় পত্র ১০০ নির্মিতি ৭০, বহুনির্বাচনি ৩০
ইংরেজি ১ম পত্র ১০০ Reading ৭০, Writing ৩০
ইংরেজি ২য় পত্র ১০০ Grammar ৬০, Writing ৪০
গণিত ১০০ সৃজনশীল ৫০, সংক্ষিপ্ত উত্তর ২০, বহুনির্বাচনি ৩০
সাধারণ তত্ত্বীয় বিষয় ১০০ সৃজনশীল ৫০, সংক্ষিপ্ত উত্তর ২০, বহুনির্বাচনি ৩০
হিসাববিজ্ঞান ১০০ সৃজনশীল ৪০, আর্থিক বিবরণী ২০, সংক্ষিপ্ত উত্তর ১০, বহুনির্বাচনি ৩০
ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, ব্যবসায় উদ্যোগ ১০০ সৃজনশীল ৫০, সংক্ষিপ্ত উত্তর ২০, বহুনির্বাচনি ৩০

বাংলা ও ইংরেজির বিশেষ দিক

বাংলা ১ম পত্রের বই বাংলা সাহিত্য, যেখানে ৩০টি গদ্য ও ৩০টি কবিতার মধ্যে ১৫টি গদ্য ও ১৫টি কবিতা সিলেবাসে আছে। সহপাঠ হিসেবে ১টি উপন্যাস ও ১টি নাটক পাঠ্য। ২০২৬ সাল থেকে সহপাঠ উপন্যাস হুমায়ূন আহমেদের ১৯৭১, এর আগে ছিল সেলিনা হোসেনের কাকতাড়ুয়া। নাটক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বহিপীর। ইংরেজি ১ম পত্রে Reading অংশে seen comprehension, unseen passage, information transfer, summary, matching, rearranging, কবিতা ও গল্পের প্রশ্ন থাকে। Writing অংশে completing story ও dialogue writing থাকে। ইংরেজি ২য় পত্রে Grammar অংশে gap filling with clues, substitution table, right form of verbs, changing sentences, tag questions, suffix prefix, preposition, connectors, punctuation থাকে। Writing অংশে paragraph, email, letter, application, short composition থাকে। ইংরেজি নম্বর বিভাজনে ২০২৭ সালের আলাদা কোনো পরিবর্তন যাচাই করা যায়নি, বর্তমান কাঠামোই লিখতে হবে, পরিবর্তনের দাবি করা যাবে না।

স্কুল ল্যাবে ব্যবহারিক কাজ করছে স্কুল ইউনিফর্ম পরা শিক্ষার্থীরা

ব্যবহারিক পরীক্ষা আছে এমন বিষয়

ব্যবহারিক পরীক্ষা আছে এমন বিষয়: পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, উচ্চতর গণিত, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, কৃষিশিক্ষা, গার্হস্থ্যবিজ্ঞান, চারু ও কারুকলা, সংগীত। পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, উচ্চতর গণিত, প্রতিটি মোট ১০০: তত্ত্বীয় ৭৫ (সৃজনশীল ৪০, সংক্ষিপ্ত উত্তর ১০, বহুনির্বাচনি ২৫) ও ব্যবহারিক ২৫। আইসিটি মোট ৫০, ১০০ নয়: তত্ত্বীয় ২৫ ও ব্যবহারিক ২৫। লিখিত অংশে ২৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। ২০২৬ সাল থেকে সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন বাদ দেওয়া হয়েছে, আগের ১০ নম্বর বহুনির্বাচনি অংশের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মোট ২৫ নম্বর বহুনির্বাচনি হয়েছে। চারু ও কারুকলা মোট ১০০: তত্ত্বীয় ৭৫, ব্যবহারিক ২৫। সংগীত মোট ১০০: তত্ত্বীয় ৩০, ব্যবহারিক ৭০। শারীরিক শিক্ষা ও ক্যারিয়ার শিক্ষা প্রতিটি ৫০, ধারাবাহিক মূল্যায়ন।

বিষয় তত্ত্বীয় ব্যবহারিক
পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, উচ্চতর গণিত ৭৫ ২৫ (পরীক্ষণ ১৫, নোট বই ৫, মৌখিক ৫)
জীববিজ্ঞান ৭৫ ২৫ (পরীক্ষণ ১৫, বাকি ১০ নোট বই ও মৌখিক)
আইসিটি ২৫ ২৫ (মোট ৫০)
সংগীত ৩০ ৭০

ব্যবহারিক পরীক্ষার সাধারণ নিয়ম

প্রশ্নে উল্লেখিত পরীক্ষণগুলোর মধ্যে লটারির মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থীর পরীক্ষণ নির্ধারণ করা হয়, সর্বোচ্চ দুইবার লটারির সুযোগ থাকে। ব্যবহারিক খাতার ওপর রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখতে হয়, নাম বা বিদ্যালয়ের নাম লেখার দরকার নেই। ব্যবহারিক বিষয়ে চূড়ান্ত নম্বর = তত্ত্বীয় ৭৫ + ব্যবহারিক ২৫ = ১০০। তত্ত্বে পাস করলেও ব্যবহারিক অংশের নম্বর চূড়ান্ত ফলে যোগ হয়, আর ব্যবহারিক অংশ ছাড়া ওই বিষয়ের পূর্ণমান ধরা হয় না। জীববিজ্ঞানের নোট বই ও মৌখিকের আলাদা সংখ্যা উৎসে অসম্পূর্ণ, তাই নিশ্চিত দাবি হিসেবে লেখা হয়নি।

গণিত প্রস্তুতিতে নম্বর কাঠামো কাজে লাগানো

গণিতে সৃজনশীল অংশে বীজগণিত, জ্যামিতি, ত্রিকোণমিতি, পরিমিতি ও পরিসংখ্যান থেকে প্রশ্ন থাকে। প্রতিটি বিভাগ থেকে অন্তত একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। সংক্ষিপ্ত উত্তর অংশ ২০ নম্বরের, তাই এই অংশে পূর্ণ নম্বর তোলা মোট নম্বরে বড় পার্থক্য গড়ে দেয়। বহুনির্বাচনি ৩০ নম্বরের জন্য সব অধ্যায়ের ধারণা পরিষ্কার রাখতে হয়, কারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্ন পুরো বই থেকে আসে। গণিত প্রস্তুতির বিস্তারিত কৌশল আমাদের সিরিজের পরের আর্টিকেলে আসবে।

সচরাচর প্রশ্ন

এসএসসি ২০২৭ পরীক্ষা কি পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে হবে, নাকি সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে?
নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা পূর্ণাঙ্গ পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে হবে। সংক্ষিপ্ত সিলেবাস নামে যা ঘুরছে, তার আসল নাম পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি, যা সংক্ষিপ্তকরণ নয়।

পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাস আর সংক্ষিপ্ত সিলেবাস কি একই জিনিস?
না। পুনর্বিন্যাস মানে সিলেবাসের বিষয়বস্তু সাজানো, আর সংক্ষিপ্তকরণ মানে অংশ বাদ দেওয়া। দুটো এক নয়।

অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের সিলেবাস কি নিয়মিতদের মতো হবে?
না। নিয়মিতরা ২০২৭ সিলেবাসে, অনিয়মিত ও মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীরা ২০২৫ ও ২০২৬ সিলেবাসে পরীক্ষা দেবে। নিজের বর্ষের সিলেবাস মিলিয়ে নিন।

গণিতে সৃজনশীল কত নম্বর, সংক্ষিপ্ত উত্তর কি আলাদা?
গণিতে সৃজনশীল ৫০, সংক্ষিপ্ত উত্তর ২০, বহুনির্বাচনি ৩০। সংক্ষিপ্ত উত্তর আলাদা অংশ, পুরোনো সৃজনশীল ৭০ কাঠামো আর বর্তমান নয়।

পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞানে তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক নম্বর কত?
প্রতিটিতে তত্ত্বীয় ৭৫ ও ব্যবহারিক ২৫, মোট ১০০।

আইসিটির পূর্ণমান কত, ৫০ না ১০০?
মোট ৫০। তত্ত্বীয় ২৫ ও ব্যবহারিক ২৫।

ফরম পূরণের নিয়ম এখানে: এসএসসি ২০২৭ ফরম পূরণের নিয়ম ও সময়সূচি। জিপিএ হিসাবের নিয়ম এখানে: এসএসসি জিপিএ গ্রেডিং পদ্ধতি। অফিশিয়াল পাঠ্যপুস্তক বোর্ড: nctb.gov.bd।

এই লেখার তথ্য ৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে যাচাই করা হয়েছে। বোর্ড নতুন বিজ্ঞপ্তি দিলে এই পাতার তথ্য আপডেট করা হবে। (বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী; চূড়ান্ত তথ্য নিজের স্কুল ও বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি থেকে মিলিয়ে নিন।)

Jante Hobe

জানতে হবে একটি বাংলা জ্ঞানভিত্তিক ওয়েবসাইট। এখানে দৈনন্দিন জীবনের নানা প্রশ্নের সহজ, স্পষ্ট ও ব্যবহারিক উত্তর দেওয়া হয়, যাতে পাঠকেরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং আরও ভালো জীবন গড়তে পারেন।

https://jantehobe.com

সাম্প্রতিক লেখা

আলোচিত লেখা

সম্পাদকের পছন্দ

ক্লাসে বই পড়ছে ইউনিফর্ম পরা দুই কিশোর শিক্ষার্থী

এসএসসি ইংরেজি প্রস্তুতির কৌশল

ভালো লাগলে শেয়ার করুনইংরেজিতে ভালো করার মূলমন্ত্র একটাই: প্রতিদিন একটু করে পড়া, লেখা, আর গ্রামার অভ্যাস করা। একদিনে অনেক পড়ে সপ্তাহজুড়ে না পড়লে ইংরেজি এগোয় না। এই লেখাটি এসএসসি ইংরেজি প্রস্তুতির কৌশলের চিরসবুজ গাইড, শুধু সাজেশন তালিকা নয়। কোনো ফাঁস হওয়া প্রশ্ন, কোনো শতভাগ কমনের দাবি, কোনো ২০২৭ সালের পরীক্ষার তারিখ এই লেখায় নেই। এই...
স্কুল ডেস্কে খাতায় গণিতের সমীকরণ লিখছে শিক্ষার্থী

এসএসসি গণিত প্রস্তুতির কৌশল

ভালো লাগলে শেয়ার করুনগণিত মুখস্থের বিষয় নয়, অভ্যাসের বিষয়। যে শিক্ষার্থী প্রতিদিন অঙ্ক কষে, সে পরীক্ষার হলে নতুন প্রশ্ন দেখেও ঘাবড়ায় না। এই লেখাটি এসএসসি গণিত প্রস্তুতির কৌশলের চিরসবুজ গাইড, শুধু সাজেশন তালিকা নয়। কোনো ফাঁস হওয়া প্রশ্ন, কোনো শতভাগ কমনের দাবি, কোনো ২০২৭ সালের পরীক্ষার তারিখ এই লেখায় নেই। এই পাতাটি বোর্ডের অফিশিয়াল পেজ...
পরীক্ষার হলে আলাদা ডেস্কে লিখছে ইউনিফর্ম পরা শিক্ষার্থীরা

পরীক্ষার হলে করণীয় ও ওএমআর শিট ভরাটের নিয়ম

ভালো লাগলে শেয়ার করুনপরীক্ষার হলে ভুল সবচেয়ে বেশি হয় ওএমআর শিট ভরাটে। একটি ভুল সেট কোড বা একটি অসম্পূর্ণ বৃত্ত পুরো বিষয়ের ফল বদলে দিতে পারে। এই লেখাটি পরীক্ষার হলে করণীয় ও ওএমআর শিট ভরাটের নিয়মের চিরসবুজ গাইড, তারিখের খবর নয়। সময় ভাগ করে প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার নিয়ম এখানে দেওয়া হয়নি, কারণ সে বিষয়ে আলাদা...
স্কুল ল্যাবে গগলস মাস্ক গ্লাভস পরে রসায়ন পরীক্ষা করছে কিশোর শিক্ষার্থী

এসএসসি ব্যবহারিক পরীক্ষার নিয়ম

ভালো লাগলে শেয়ার করুনব্যবহারিক পরীক্ষায় নম্বর শুধু পরীক্ষার দিনের কাজে ওঠে না। নোটবুকের পরিচ্ছন্নতা, শিক্ষকের নিয়মিত স্বাক্ষর, ভাইভার প্রস্তুতি, আর পরীক্ষণের প্রতিটি অংশের নম্বর, সব মিলিয়ে ব্যবহারিকের ২৫ নম্বর তৈরি হয়। এই লেখাটি ব্যবহারিক পরীক্ষার নিয়মের চিরসবুজ গাইড, তারিখের খবর নয়। ব্যবহারিক পরীক্ষার তারিখ বোর্ড আলাদাভাবে ঘোষণা করে, তাই এই লেখায় কোনো ২০২৭ সালের ব্যবহারিক...
ডেস্কে বই নোট খাতা নিয়ে পড়ছে কিশোর শিক্ষার্থী

এসএসসি সিলেবাস ও নম্বর বিভাজন ২০২৭

ভালো লাগলে শেয়ার করুনএসএসসি ২০২৭ পরীক্ষা পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে হবে, এটাই নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য মূল কথা। তবে অনেক পেজ এখনো একে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস বলে চালাচ্ছে, আর নম্বর বিভাজনের পুরোনো কাঠামোও ঘুরছে। এই লেখায় পূর্ণাঙ্গ বনাম সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের বিভ্রান্তি, বিভাগভিত্তিক বিষয় তালিকা, আর নতুন নম্বর কাঠামো একসঙ্গে দেওয়া হলো। এই লেখায় রুটিনের কোনো তারিখ দেওয়া হয়নি, কারণ...

জানতে হবে একটি বাংলা জ্ঞানভিত্তিক ওয়েবসাইট। এখানে দৈনন্দিন জীবনের নানা প্রশ্নের সহজ, স্পষ্ট ও ব্যবহারিক উত্তর দেওয়া হয়।

অবশ্যই পড়ুন

© ২০২৬ জানতে হবে (jantehobe.com) — সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট: Raozan IT