২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হচ্ছে ১৬ নভেম্বর ২০২৬ থেকে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বিলম্ব ফি ছাড়া ফরম পূরণ করা যাবে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত। এই লেখায় সময়সূচি, বিভাগভিত্তিক ফি, কারা কোন ক্যাটাগরিতে পরীক্ষা দিতে পারবে, আর ফরম জমার আগে আপনার চেকলিস্ট, সব একসঙ্গে দেওয়া হলো।
এই লেখাটি নিয়মের গাইড, বোর্ডের অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি নয়। মূল বিজ্ঞপ্তি দেখার জন্য ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট অনুসরণ করুন। পরীক্ষার রুটিনের তারিখ নিয়ে বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন তথ্য দেখা যাচ্ছে, তাই এই লেখায় রুটিনের কোনো তারিখ দেওয়া হয়নি। বোর্ডের চূড়ান্ত রুটিন প্রকাশ হলে তা আলাদাভাবে জানানো হবে।
ফরম পূরণের সময়সূচি একনজরে
ঢাকা বোর্ড ১৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ফরম পূরণের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী কাজগুলো এই ক্রমে হবে। শেষ দিনের অপেক্ষা না করে আগেভাগে কাজ শেষ করলে বিলম্ব ফি এড়ানো যায়।
| কাজ | তারিখ |
|---|---|
| সম্ভাব্য তালিকা প্রকাশ | ১৫ নভেম্বর ২০২৬ |
| বিলম্ব ফি ছাড়া অনলাইনে ফরম পূরণ | ১৬ নভেম্বর থেকে ২৩ নভেম্বর ২০২৬ |
| বিলম্ব ফি ছাড়া ফি জমার শেষ তারিখ | ২৪ নভেম্বর ২০২৬ |
| বিলম্ব ফিসহ অনলাইনে ফরম পূরণ | ২৪ নভেম্বর থেকে ২৯ নভেম্বর ২০২৬ |
| বিলম্ব ফিসহ ফি জমার শেষ তারিখ | ৩০ নভেম্বর ২০২৬ |
বিলম্ব ফি পরীক্ষার্থীপ্রতি ১০০ টাকা। বিলম্ব ফিসহ ফরম পূরণ করলে এই ১০০ টাকা মোট ফির সঙ্গে যোগ হবে। ফি জমা দিতে হবে সোনালী সেবার মাধ্যমে।
ফি কত: বিভাগভিত্তিক ভাঙন
নিচের ফি নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য। বোর্ড ফি আর কেন্দ্র ফি আলাদা করে দেখানো হলো, যাতে হিসাব মিলিয়ে দেখতে সুবিধা হয়। অনিয়মিত বা জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থীদের ফি এই লেখায় অনুমান করে দেওয়া হয়নি, কারণ তা আলাদাভাবে যাচাই হয়নি। আপনার ক্যাটাগরির ফি স্কুল থেকে জেনে নিন।
| বিভাগ | বোর্ড ফি | কেন্দ্র ফি | মোট ফি |
|---|---|---|---|
| বিজ্ঞান | ১,৯২০ টাকা | ৫১৫ টাকা | ২,৪৩৫ টাকা |
| ব্যবসায় শিক্ষা | ১,৮৩০ টাকা | ৪৮৫ টাকা | ২,৩১৫ টাকা |
| মানবিক | ১,৮৩০ টাকা | ৪৮৫ টাকা | ২,৩১৫ টাকা |
বেতন ও সেশনচার্জের সীমা
নবম ও দশম শ্রেণির বেতন ও সেশনচার্জ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত পরিশোধ করতে হবে। কোনোভাবেই ২৪ মাসের বেশি বেতন ও সেশনচার্জ নেওয়া যাবে না। আপনার কাছ থেকে ২৪ মাসের বেশি সময়ের বেতন চাওয়া হলে হিসাব করে দেখুন, আর স্কুলের কাছে লিখিত হিসাব চান।
নির্বাচনী পরীক্ষা ও সম্ভাব্য তালিকা
নির্বাচনী পরীক্ষা, যাকে টেস্ট পরীক্ষাও বলা হয়, ২৮ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বর ২০২৬ এর মধ্যে শেষ করতে হবে। এর ফল প্রকাশের শেষ তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৬। একই দিন, ১৫ নভেম্বর, বোর্ডের ওয়েবসাইটে সম্ভাব্য তালিকা প্রকাশ করা হবে।
নিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক। ব্যতিক্রম শুধু দুই ক্ষেত্রে: জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থী এবং আগের পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা। নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলে ফরম পূরণের সুযোগ দেওয়া হবে না। সম্ভাব্য তালিকায় নিজের নাম, রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিভাগ ও বিষয় মিলিয়ে দেখুন। ভুল থাকলে ফরম পূরণ শুরু হওয়ার আগেই স্কুলকে জানান।
নিয়মিত পরীক্ষার্থী কারা
২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে রেজিস্ট্রেশনধারী শিক্ষার্থীরা ২০২৭ সালের পরীক্ষায় নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে অংশ নেবে। তাদের প্রশ্নপত্র ২০২৭ সালের নির্ধারিত সিলেবাস অনুযায়ী প্রণয়ন করা হবে। নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশ নেওয়া বাধ্যতামূলক, এই কথা আগের অংশে বলা হয়েছে।
অনিয়মিত পরীক্ষার্থী কারা
২০২৩-২০২৪ ও ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে রেজিস্ট্রেশনধারী যারা ২০২৫ ও ২০২৬ সালের পরীক্ষায় অংশ নেয়নি, তারা অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে ২০২৭ সালে চতুর্থ বিষয়সহ সব বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে। তাদের কোনো অবস্থাতেই নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে গণ্য করা যাবে না।
আরেকটি ক্ষেত্র আছে। ২০২৬ সালের পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয় বাদে এক থেকে চার বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা নিবন্ধনের মেয়াদ থাকলে অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে অকৃতকার্য বিষয়গুলোতে পরীক্ষা দিতে পারবে। চাইলে তারা সব বিষয়েও অংশ নিতে পারবে। তাদের আগের উত্তীর্ণ বিষয়গুলোর প্রাপ্ত গ্রেড সংরক্ষিত থাকবে। অনিয়মিত ও মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীরা ২০২৫ ও ২০২৬ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রণীত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেবে।
জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষা কারা দিতে পারবে
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় সব বিষয়ে অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে কিন্তু জিপিএ ৫.০০ এর কম পেয়েছে, এমন শিক্ষার্থীরা নিবন্ধনের মেয়াদ থাকলে ২০২৭ সালে জিপিএ উন্নয়নের জন্য অংশ নিতে পারবে। তাদের সব বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ ২০২৬ সালের সিলেবাস অনুযায়ী পরীক্ষা দিতে হবে। নতুন পরীক্ষায় জিপিএ উন্নয়ন হলে নতুন ফল গ্রহণ করা হবে, অন্যথায় আগের জিপিএ বহাল থাকবে।
জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থীদের ফরমের সঙ্গে জমা দিতে হবে আগের পরীক্ষার প্রবেশপত্র ও একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের সত্যায়িত ফটোকপি। এই কাগজগুলো আগেভাগে তৈরি রাখলে শেষ মুহূর্তে ঝামেলা হবে না।
বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের নিয়ম
শাস্তির মেয়াদ শেষ হয়ে থাকলে এবং নিবন্ধনের মেয়াদ থাকলে বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে ২০২৭ সালের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। তাদের সব বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হবে। আপনার ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হলে নিবন্ধনের মেয়াদ আর শাস্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার বিষয়টি স্কুলের মাধ্যমে নিশ্চিত করে নিন।
ফরম পূরণের ধাপ: প্রতিষ্ঠান কী করে, আপনি কী করবেন
অনলাইনে ফরম পূরণের কাজটি মূলত প্রতিষ্ঠান করে। আপনার কাজ হলো তথ্য মিলিয়ে দেখা আর সময়মতো ফি জমা দেওয়া। সাধারণ প্রক্রিয়াটি এই ধাপগুলোতে চলে। প্রথমে প্রতিষ্ঠান বোর্ডের ওয়েবসাইটে লগইন করে সম্ভাব্য তালিকায় যায়। তারপর সম্ভাব্য তালিকা প্রিন্ট করে হার্ডকপিতে লাল কালি দিয়ে টিক চিহ্ন দিয়ে পরীক্ষার্থী নির্ধারণ করা হয়।
এরপর কম্পিউটারে প্রদর্শিত তালিকা থেকে পরীক্ষার্থী বাছাই করা হয়, আর টেম্পোরারি লিস্ট প্রিন্ট করে ভালোভাবে যাচাই করা হয়। এই পর্যায়ে ভুল ধরা পড়লে সংশোধন করা যায়। এরপর পে স্লিপ প্রিন্ট করা হয়। পে স্লিপ প্রিন্ট করার পর আর বাছাই বদলানো যায় না, তাই এই ধাপের আগে তথ্য মিলিয়ে দেখা সবচেয়ে জরুরি।
পে স্লিপে উল্লিখিত টাকা সোনালী সেবা চালু আছে এমন নিকটস্থ সোনালী ব্যাংক শাখায় জমা দিতে হবে। ফি জমা দেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফাইনাল ক্যান্ডিডেট লিস্ট প্রিন্ট সক্রিয় হবে। সেই লিস্ট প্রিন্ট করে পরীক্ষার্থীর স্বাক্ষর নেওয়া হয়, আর প্রতি পৃষ্ঠায় প্রতিষ্ঠান প্রধান স্বাক্ষর করেন। স্বাক্ষর দেওয়ার সময় আপনার নাম ও বিষয় আবার মিলিয়ে দেখুন।

ফরম জমার আগে আপনার চেকলিস্ট
ফরম জমা দেওয়ার আগে এই বিষয়গুলো মিলিয়ে নিন। সম্ভাব্য তালিকায় নামের বানান, রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিভাগ, বিষয় ও চতুর্থ বিষয় ঠিক আছে কি না দেখুন। নিজের বিভাগের নির্ধারিত ফি জেনে রাখুন: বিজ্ঞান ২,৪৩৫ টাকা, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক ২,৩১৫ টাকা। বেতন ও সেশনচার্জ ২৪ মাসের বেশি নেওয়া হচ্ছে কি না হিসাব করে দেখুন।
ফি জমার রসিদ বা প্রমাণ সংরক্ষণ করুন। ফাইনাল ক্যান্ডিডেট লিস্টে স্বাক্ষর দেওয়ার সময় নাম ও বিষয় আবার মিলিয়ে দেখুন। শেষ দিনের অপেক্ষা না করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করুন, যাতে বিলম্ব ফি এড়ানো যায়। জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থী হলে আগের প্রবেশপত্র ও ট্রান্সক্রিপ্টের সত্যায়িত ফটোকপি তৈরি রাখুন।
ভুল থাকলে বা অতিরিক্ত টাকা চাইলে করণীয়
নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত কোনো অর্থ আদায় করা যাবে না। অতিরিক্ত ফি আদায়ের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। প্রথমে স্কুলের সঙ্গে যোগাযোগ করে হিসাব মিলিয়ে দেখুন এবং লিখিত হিসাব চান। সমাধান না হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে অভিযোগ জানান, সঙ্গে ফি জমার রসিদ ও হিসাবের প্রমাণ রাখুন।
ফরমে ভুল থাকলে পে স্লিপ প্রিন্টের আগে স্কুলের মাধ্যমে সংশোধন করাতে হবে। কারণ পে স্লিপ প্রিন্টের পর আর বাছাই বদলানো যায় না। ভুল ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্কুলকে জানান, শেষ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না। এই লেখায় কোনো অভিযোগ ফোন নম্বর দেওয়া হয়নি, কারণ ২০২৭ সালের এসএসসি ফরম পূরণের জন্য কোনো নির্দিষ্ট নম্বর যাচাই করা যায়নি।
সচরাচর প্রশ্ন
এসএসসি ২০২৭ ফরম পূরণ কবে থেকে শুরু হবে?
বিলম্ব ফি ছাড়া ফরম পূরণ ১৬ নভেম্বর ২০২৬ থেকে শুরু হবে এবং চলবে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত। বিলম্ব ফিসহ ফরম পূরণ করা যাবে ২৪ থেকে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত।
বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ফরম পূরণ ফি কত?
নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য বিজ্ঞান বিভাগের মোট ফি ২,৪৩৫ টাকা, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগের মোট ফি ২,৩১৫ টাকা। বিলম্ব ফি পরীক্ষার্থীপ্রতি ১০০ টাকা।
নির্বাচনী পরীক্ষায় ফেল করলে কি ফরম পূরণ করা যাবে?
না, নিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য নির্বাচনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া আবশ্যক। নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলে ফরম পূরণের সুযোগ দেওয়া হবে না।
সম্ভাব্য তালিকায় নাম না থাকলে কী করব?
দ্রুত স্কুলের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। নাম, রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিভাগ মিলিয়ে দেখতে বলুন। ফরম পূরণ শুরু হওয়ার আগেই বিষয়টি সমাধান করতে হবে।
জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষা কারা দিতে পারবে?
২০২৬ সালে সব বিষয়ে উত্তীর্ণ হয়েও জিপিএ ৫.০০ এর কম পাওয়া শিক্ষার্থীরা নিবন্ধনের মেয়াদ থাকলে ২০২৭ সালে জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষা দিতে পারবে। তাদের সব বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ ২০২৬ সালের সিলেবাসে পরীক্ষা দিতে হবে।
স্কুল নির্ধারিত ফির বেশি টাকা চাইলে কী করব?
প্রথমে লিখিত হিসাব চান এবং ২৪ মাসের বেতন সীমাসহ মোট হিসাব মিলিয়ে দেখুন। সমাধান না হলে ফি জমার রসিদ ও হিসাবের প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে অভিযোগ জানান।
ফরম পূরণ শেষ হলে পরের কাজ হলো নিয়মিত প্রস্তুতি। শেষ ৩০ দিনের প্রস্তুতি নিয়ে আমাদের গাইডটি দেখতে পারেন: এসএসসি পরীক্ষার শেষ ৩০ দিনের প্রস্তুতি। পরীক্ষার খাতায় উত্তর লেখার নিয়ম নিয়েও একটি গাইড আছে: পরীক্ষার খাতায় উত্তর লেখার নিয়ম। ফরম পূরণের ঘোষণা নিয়ে আরও পড়তে পারেন এই প্রতিবেদনে এবং প্রথম আলোর এই প্রতিবেদনে।
এই লেখার তথ্য ৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে যাচাই করা হয়েছে। বোর্ড নতুন বিজ্ঞপ্তি দিলে এই পাতার তথ্য আপডেট করা হবে। (বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী; প্রতিষ্ঠানভেদে ফি সংগ্রহ ও ফরম জমার প্রক্রিয়াগত বিষয়ে কিছুটা ভিন্নতা থাকতে পারে, তাই নিজের স্কুল থেকে চূড়ান্ত হিসাব মিলিয়ে নিন।)
