SSC Board Challenge 2026: এসএসসি খাতা পুনঃনিরীক্ষণ করার নিয়ম

SSC Board Challenge 2026: এসএসসি খাতা পুনঃনিরীক্ষণ করার নিয়ম: ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর সব শিক্ষার্থীর মনে আনন্দের ঝিলিক খেলে না। অনেক কঠোর পরিশ্রমী শিক্ষার্থী দেখা যায় তাদের প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম জিপিএ পেয়েছে, আবার কারো কারো ক্ষেত্রে একটি বা দুটি বিষয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ‘ফেল’ চলে আসে। এমন পরিস্থিতিতে ভেঙে পড়া বা হতাশ হওয়া কোনো সমাধান নয়। বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ড শিক্ষার্থীদের এই আক্ষেপ দূর করার জন্য একটি আইনি ও পদ্ধতিগত সুযোগ প্রদান করে, যা সাধারণ মানুষের কাছে ‘বোর্ড চ্যালেঞ্জ’ এবং অফিশিয়াল ভাষায় ‘খাতা পুনঃনিরীক্ষণ’ (Rescrutiny) নামে পরিচিত।

SSC Board Challenge 2026: এসএসসি খাতা পুনঃনিরীক্ষণ করার নিয়ম

SSC Board Challenge 2026
২০২৬ সালের এসএসসি বোর্ড চ্যালেঞ্জ বা খাতা পুনঃনিরীক্ষণ করার সঠিক নিয়ম

একজন সিনিয়র এসইও কপিরাইটার হিসেবে আমি আপনাকে নিশ্চিত করছি যে, সঠিক নিয়মে বোর্ড চ্যালেঞ্জ করতে পারলে প্রতি বছর হাজার হাজার শিক্ষার্থীর ফলাফল পরিবর্তন হয়। আমাদের জানতে হবে (Jante Hobe)-এর এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা SSC Board Challenge 2026 Process এর প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত সহজভাবে ব্যাখ্যা করব। আপনি যদি ইতোমধ্যে এসএসসি রেজাল্ট ২০২৬ দেখার নিয়ম অনুসরণ করে আপনার ফলাফল দেখে থাকেন এবং প্রাপ্ত নম্বরে সন্তুষ্ট না হন, তবে এই গাইডটি আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। ফলাফল প্রকাশের সঠিক সময় এবং আপডেট পেতে আমাদের এসএসসি রেজাল্টের সম্ভাব্য তারিখ পোস্টটি নিয়মিত ভিজিট করুন।

আমাদের শিক্ষা বিষয়ক এই বিভাগে আমরা শুধুমাত্র তথ্য দিই না, বরং শিক্ষার্থীদের বিপদে সঠিক গাইডলাইন প্রদান করি। আপনি যদি বিষয়ভিত্তিক নম্বর জানতে চান, তবে আবেদন করার আগে অবশ্যই আমাদের নম্বরসহ এসএসসি রেজাল্ট ২০২৬ ডাউনলোড গাইডটি দেখে নিন। এখন চলুন জেনে নেওয়া যাক, এসএসসি খাতা পুনঃনিরীক্ষণ বা বোর্ড চ্যালেঞ্জ আসলে কী এবং এটি কীভাবে কাজ করে।

বোর্ড চ্যালেঞ্জ বা খাতা পুনঃনিরীক্ষণ আসলে কী? (Concept & Reality)

অনেকেই মনে করেন Result rescrutiny application করলে পরীক্ষক আবার নতুন করে পুরো খাতাটি পড়বেন এবং নম্বর দেবেন। বিষয়টি আসলে তেমন নয়। শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী, পুনঃনিরীক্ষণ প্রক্রিয়ায় মূলত ৪টি প্রধান দিক যাচাই করা হয়:

এসএসসি খাতা পুনঃনিরীক্ষণে চারটি যাচাই প্রক্রিয়া
বোর্ড চ্যালেঞ্জে খাতা নতুন করে দেখা হয় না শুধু নম্বর গণনা OMR যাচাই ও করণিক ভুল সংশোধন করা হয়
  • নম্বর গণনা (Addition Check): খাতার ভেতর প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরে যে নম্বর দেওয়া হয়েছে, তার যোগফলগুলো মূল পাতায় সঠিকভাবে তোলা হয়েছে কি না।
  • উত্তর মূল্যায়ন বাদ পড়া: খাতার ভেতর এমন কোনো উত্তর আছে কি না যা পরীক্ষক ভুলবশত মূল্যায়ন না করে এড়িয়ে গেছেন।
  • ওএমআর (OMR) যাচাই: ওএমআর শিটে বৃত্ত ভরাট অনুযায়ী নম্বর সঠিকভাবে স্ক্যান হয়েছে কি না।
  • নম্বর পোস্টিং: খাতার প্রাপ্ত নম্বরগুলো কম্পিউটারে ইনপুট দেওয়ার সময় কোনো করণিক ভুল (Clerical Error) হয়েছে কি না।

সহজ কথায়, বোর্ড চ্যালেঞ্জ হলো আপনার খাতার নম্বর গণনায় কোনো ভুল হয়েছে কি না তা পুনরায় যাচাই করার একটি পদ্ধতি। এতে নম্বর কমার কোনো ভয় নেই, বরং বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।

বোর্ড চ্যালেঞ্জ আবেদনের সময়সূচী ও শেষ তারিখ (Important Dates)

এসএসসি বোর্ড চ্যালেঞ্জের আবেদন করার জন্য খুব বেশি সময় পাওয়া যায় না। সাধারণত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পরদিন থেকেই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং এটি মাত্র ৭ থেকে ১০ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়।

বোর্ড চ্যালেঞ্জ করার শেষ তারিখ ২০২৬: ফলাফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা হওয়ার সাথে সাথেই বোর্ড কর্তৃপক্ষ আবেদনের শেষ সময় জানিয়ে দেয়। আপনি যদি সময়মতো আবেদন না করেন, তবে পরবর্তীতে আর কোনো সুযোগ থাকবে না। আবেদনের লাইভ আপডেট পেতে আমাদের এসএমএসে এসএসসি রেজাল্ট ২০২৬ সংক্রান্ত নোটিশটি নিয়মিত চেক করতে পারেন।

আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র (Requirements)

বোর্ড চ্যালেঞ্জ করার জন্য আপনার হাতে নিচের ৩টি জিনিস থাকা আবশ্যিক:

  1. টেলিটক প্রিপেইড সিম: বোর্ড চ্যালেঞ্জের আবেদন শুধুমাত্র টেলিটক (Teletalk) সিমের মাধ্যমেই করা যায়। অন্য কোনো অপারেটর থেকে এই আবেদন গ্রহণ করা হয় না।
  2. পর্যাপ্ত ব্যালেন্স: প্রতিটি বিষয়ের আবেদনের জন্য নির্ধারিত ফি (Khata challenge fee) এবং এসএমএস চার্জ থাকতে হবে।
  3. রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর: আপনার পরীক্ষার সঠিক রোল এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর।
  4. যোগাযোগের মোবাইল নম্বর: একটি সচল মোবাইল নম্বর (যেকোনো অপারেটরের) যেখানে বোর্ড থেকে আপনার আবেদনের আপডেট পাঠানো হবে।

পদ্ধতি ১: টেলিটক এসএমএস এর মাধ্যমে আবেদনের নিয়ম

এসএসসি খাতা পুনঃনিরীক্ষণ বা বোর্ড চ্যালেঞ্জ করার জন্য কোনো অনলাইন ফর্ম পূরণ করতে হয় না। এটি সম্পূর্ণ এসএমএস ভিত্তিক একটি প্রক্রিয়া। নিচে আবেদনের প্রফেশনাল ধাপগুলো দেওয়া হলো:

প্রথম ধাপ: আবেদনের মেসেজ পাঠানো

মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করুন:
RSC [Space] Board Name (First 3 letters) [Space] Roll [Space] Subject Code

উদাহরণস্বরূপ: আপনার বোর্ড ঢাকা (DHA), রোল ১২৩৪৫৬ এবং বিষয় কোড ১০১ (বাংলা প্রথম পত্র) হয়, তবে লিখুন:
RSC DHA 123456 101 এবং পাঠিয়ে দিন ১৬২২২ নম্বরে।

টেলিটক সিম দিয়ে RSC SMS পাঠিয়ে SSC Board Challenge আবেদন
শুধুমাত্র টেলিটক প্রিপেইড সিম থেকে ১৬২২২ নম্বরে RSC লিখে আবেদন করতে হয়

দ্বিতীয় ধাপ: পিন (PIN) নম্বর ও পেমেন্ট কনফার্মেশন

আপনি যখন প্রথম এসএমএসটি ১৬২২২ নম্বরে পাঠাবেন, তখন ফিরতি একটি মেসেজে আপনার নাম, বিষয়ের ফি এবং একটি **PIN** নম্বর দেওয়া হবে। এই পিন নম্বরটি ব্যবহার করেই আপনাকে পেমেন্ট সম্পন্ন করতে হবে। Teletalk payment করার জন্য নিচের নিয়মে দ্বিতীয় মেসেজটি পাঠান:

টাইপ করুন: RSC [Space] YES [Space] PIN [Space] Contact Mobile Number

উদাহরণ: যদি আপনার পিন নম্বর হয় ৯৮৭৬৫৪ এবং একটি সচল মোবাইল নম্বর ০১৭XXXXXXXX হয়, তবে লিখুন: RSC YES 987654 017XXXXXXXX এবং পাঠিয়ে দিন ১৬২২২ নম্বরে।

আবেদন সফল হলে আপনার ব্যালেন্স থেকে নির্ধারিত টাকা কেটে নেওয়া হবে এবং আপনাকে একটি ট্রানজেকশন আইডি (Transaction ID) সহ সফল আবেদনের মেসেজ দেওয়া হবে। এই মেসেজটি রেজাল্ট আসা পর্যন্ত ডিলিট করবেন না। যদি কোনো যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মেসেজ না পান, তবে আমাদের এসএমএস এর মাধ্যমে রেজাল্ট দেখার নিয়ম গাইডটি পুনরায় চেক করুন।

একসাথে একাধিক বিষয়ের আবেদনের বিশেষ টেকনিক (Multiple Subjects)

অনেকেই মনে করেন প্রতিটি বিষয়ের জন্য আলাদা আলাদা মেসেজ পাঠাতে হয়। এতে অনেক সময় নষ্ট হয় এবং বারবার সার্ভিস চার্জ দিতে হয়। এসএসসি খাতা পুনঃনিরীক্ষণ বা বোর্ড চ্যালেঞ্জ করার একটি স্মার্ট উপায় হলো এক মেসেজেই অনেকগুলো বিষয়ের জন্য আবেদন করা।

নিয়ম: প্রথম মেসেজ পাঠানোর সময় কমা (,) ব্যবহার করে বিষয় কোডগুলো লিখুন।
উদাহরণ: আপনি যদি বাংলা (১০১), ইংরেজি (১০৭) এবং গণিত (১০৯) বিষয়ের জন্য আবেদন করতে চান, তবে লিখুন: RSC DHA 123456 101,107,109

এক SMS এ একাধিক বিষয়ের কোড দিয়ে বোর্ড চ্যালেঞ্জ
কমা ব্যবহার করে RSC DHA ROLL 101 107 109 লিখলে একবারেই সব বিষয়ের আবেদন হয়

এতে একটি মাত্র পিন আসবে এবং আপনি একসাথেই সব বিষয়ের ফি পেমেন্ট করতে পারবেন। তবে মনে রাখবেন, প্রতিটি বিষয়ের জন্য আলাদা আলাদা Khata challenge fee প্রযোজ্য হবে। আপনি যদি আপনার বিষয়ভিত্তিক নম্বরগুলো এখনো না জেনে থাকেন, তবে আগে আমাদের নম্বরসহ এসএসসি রেজাল্ট ২০২৬ ডাউনলোড গাইডটি দেখে নিন।

বোর্ড চ্যালেঞ্জ ফি ২০২৬: প্রতিটি বিষয়ের খরচ কত? (Fee Structure)

২০২৬ সালের এসএসসি পুনঃনিরীক্ষণের জন্য শিক্ষা বোর্ড একটি সুনির্দিষ্ট ফি নির্ধারণ করেছে। সাধারণত প্রতিটি পত্রের (Paper) জন্য নির্ধারিত ফি হলো ১৫০ টাকা। নিচে একটি তালিকা দেওয়া হলো:

  • এক পত্রের বিষয় (যেমন গণিত): ১৫০ টাকা।
  • দুই পত্রের বিষয় (যেমন বাংলা বা ইংরেজি): ৩০০ টাকা (যেহেতু এগুলো দুটি আলাদা কোড)।
  • এসএমএস চার্জ: প্রতিটি আবেদনের জন্য অতিরিক্ত ২.৫০ টাকা থেকে ৩ টাকা এসএমএস চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে।
SSC Board Challenge 2026 ফি প্রতি পত্র ১৫০ টাকা
২০২৬ সালে প্রতি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা ফি আবেদনের সময় ফলাফলের পর ৭ থেকে ১০ দিন

তাই আবেদনের আগে আপনার টেলিটক সিমে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স আছে কি না তা নিশ্চিত করুন। ব্যালেন্স কম থাকলে আপনার Result rescrutiny application ব্যর্থ হবে। আবেদনের লাইভ আপডেট এবং বোর্ড নোটিশ জানতে আমাদের শিক্ষা বিভাগটি বুকমার্ক করে রাখুন।

ফলাফল পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা ও সাকসেস রেট বিশ্লেষণ

বোর্ড চ্যালেঞ্জ করলে কি আসলেই রেজাল্ট পরিবর্তন হয়? এটি অনেক শিক্ষার্থীর একটি কমন প্রশ্ন। পরিসংখ্যান বলছে, প্রতি বছর শিক্ষা বোর্ডগুলোতে হাজার হাজার খাতা পুনঃনিরীক্ষণ করা হয় এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থীর জিপিএ পরিবর্তন হয়। এমনকি অনেক শিক্ষার্থী যারা একটি বিষয়ে ফেল করেছিল, তারা পুনঃনিরীক্ষণের পর পাস করে ভালো কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।

ফলাফল পরিবর্তনের মূল কারণগুলো:
১. অনেক সময় ওএমআর মেশিনের ত্রুটির কারণে নম্বর যোগ হতে ভুল হয়।
২. প্রধান পরীক্ষক খাতার ভেতর নম্বর দিলেও ওএমআর শিটে তা তুলতে ভুল করতে পারেন।
৩. বৃত্ত ভরাট অস্পষ্ট হলে কম্পিউটারে নম্বর ইনপুট হয় না।
পুনঃনিরীক্ষণ প্রক্রিয়ায় এই ছোটখাটো করণিক ভুলগুলো সংশোধন করা হয়। আপনি যদি আপনার বর্তমান জিপিএ নিয়ে সন্তুষ্ট না হন, তবে এখনই এসএসসি রেজাল্ট ২০২৬ দেখার নিয়ম অনুসরণ করে আবার ফলাফল চেক করুন এবং দ্রুত বোর্ড চ্যালেঞ্জের প্রস্তুতি নিন।

বোর্ড চ্যালেঞ্জ রেজাল্ট ২০২৬ কবে দিবে?

আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার সাধারণত ১৫ থেকে ২১ দিনের মধ্যে বোর্ড চ্যালেঞ্জের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফল প্রকাশের পর আপনার সচল মোবাইল নম্বরে একটি এসএমএস আসবে। এছাড়া শিক্ষা বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকেও আপনি আপনার আপডেট রেজাল্ট দেখতে পারবেন। সঠিক তারিখ ও সময় জানতে আমাদের এসএসসি রেজাল্টের সম্ভাব্য তারিখ পোস্টটি ফলো করুন।

বোর্ড চ্যালেঞ্জের ফলাফল দেখার নিয়ম (Checking Rescrutiny Result)

আবেদন প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন করার পর শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় বড় প্রতীক্ষা শুরু হয় Result rescrutiny application এর ফলাফলের জন্য। বোর্ড চ্যালেঞ্জের ফলাফল দেখার পদ্ধতি সাধারণ রেজাল্ট দেখার মতোই সহজ, তবে কিছু বিশেষ দিকে নজর দিতে হয়। নিচে ফলাফল পাওয়ার দুটি প্রধান মাধ্যম আলোচনা করা হলো:

১. সরাসরি ওয়েবসাইট পদ্ধতি

ফলাফল প্রকাশের দিন শিক্ষা বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে একটি বিশেষ ‘বোর্ড চ্যালেঞ্জ রেজাল্ট’ নামক নোটিশ বা পিডিএফ (PDF) ফাইল আপলোড করা হয়। সেখানে শুধুমাত্র যাদের রেজাল্ট পরিবর্তন হয়েছে, তাদের রোল নম্বর এবং নতুন জিপিএ উল্লেখ থাকে। আপনি যদি আপনার আপডেটেড রেজাল্ট চেক করতে চান, তবে আমাদের এসএসসি রেজাল্ট ২০২৬ দেখার নিয়ম অনুসরণ করে পুনরায় আপনার রোল ও রেজিস্ট্রেশন দিয়ে লগইন করুন।

২. মোবাইল এসএমএস পদ্ধতি

শিক্ষা বোর্ড সাধারণত প্রতিটি সফল আবেদনকারীর দেওয়া কন্টাক্ট নম্বরে ফলাফল স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাঠিয়ে দেয়। যদি আপনার ফলাফল পরিবর্তন হয় (যেমন: ফেল থেকে পাস বা জিপিএ বৃদ্ধি), তবে বোর্ড থেকে আপনি অভিনন্দন বার্তা পাবেন। তবে ফলাফল পরিবর্তন না হলে অনেক সময় মেসেজ আসে না। এক্ষেত্রে নিশ্চিন্ত হতে বোর্ডের ওয়েবসাইটে নিয়মিত চোখ রাখুন।

বোর্ড চ্যালেঞ্জের পর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি (Admission Guide)

বোর্ড চ্যালেঞ্জ রেজাল্ট পরিবর্তনের পর কলেজ ভর্তি ২০২৬
পুনঃনিরীক্ষণে GPA বাড়লে শিক্ষার্থীরা সংশোধিত ফলাফলে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ পায়

অনেকেই দুশ্চিন্তায় থাকেন যে, বোর্ড চ্যালেঞ্জের রেজাল্ট আসতে দেরি হলে তারা কি কলেজে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন কি না। ২০২৬ সালের ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, বোর্ড চ্যালেঞ্জের আবেদনকারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে:

  • সময়সীমা বৃদ্ধি: যাদের ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের মাধ্যমে পরিবর্তন হয়, তাদের জন্য কলেজে অনলাইনে আবেদনের বিশেষ সময়সীমা দেওয়া হয়।
  • পছন্দক্রম পরিবর্তন: রেজাল্ট ভালো হলে বা জিপিএ বৃদ্ধি পেলে আপনি আপনার আগের দেওয়া কলেজের পছন্দক্রম পরিবর্তন করার সুযোগ পাবেন।
  • ভর্তির নিশ্চয়তা: আপনার সংশোধিত জিপিএ অনুযায়ী আপনি যে কলেজের যোগ্য, সেখানেই আপনাকে সিট বরাদ্দ দেওয়া হবে। ভর্তির বিস্তারিত প্রক্রিয়া জানতে আমাদের কলেজে ভর্তির নিয়ম ও যোগ্যতা ২০২৬ গাইডটি পড়ে রাখুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

১. বোর্ড চ্যালেঞ্জ করলে কি নম্বর কমে যাওয়ার কোনো ভয় আছে?
উত্তর: না, শিক্ষা বোর্ডের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী পুনঃনিরীক্ষণে নম্বর কমে না। হয় আপনার নম্বর আগের মতোই থাকবে অথবা বাড়বে। তাই নিশ্চিন্তে আবেদন করতে পারেন।

২. টেলিটক সিম ছাড়া কি অন্য কোনো সিম দিয়ে আবেদন করা যায়?
উত্তর: না, এসএসসি খাতা পুনঃনিরীক্ষণ বা বোর্ড চ্যালেঞ্জের আবেদন শুধুমাত্র টেলিটক প্রিপেইড সিমের মাধ্যমেই করা সম্ভব। তবে যোগাযোগের নম্বর হিসেবে আপনি যেকোনো অপারেটরের নম্বর দিতে পারেন।

৩. বোর্ড চ্যালেঞ্জের ফি কত এবং কীভাবে পরিশোধ করব?
উত্তর: প্রতি পত্রের জন্য সাধারণত ১৫০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়। এই ফি টেলিটক সিমের ব্যালেন্স থেকে এসএমএস পেমেন্টের মাধ্যমে কেটে নেওয়া হয়। বিস্তারিত Khata challenge fee সম্পর্কে আর্টিকেলের দ্বিতীয় অংশে আলোচনা করা হয়েছে।

৪. পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন কি শুধু ফেল করা বিষয়ের জন্যই করা যায়?
উত্তর: না, আপনি যেকোনো বিষয়ের জন্যই আবেদন করতে পারেন। আপনার যদি মনে হয় কোনো বিষয়ে আপনি আরও বেশি নম্বর পাওয়ার যোগ্য ছিলেন, তবে সেই বিষয়ের জন্য চ্যালেঞ্জ করতে পারেন।

৫. বোর্ড চ্যালেঞ্জ করার শেষ তারিখ ২০২৬ কবে?
উত্তর: সাধারণত রেজাল্ট প্রকাশের পরদিন থেকে ৭ দিন পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ থাকে। সঠিক তারিখ ও সময় জানতে আমাদের এসএসসি রেজাল্ট ২০২৬ কবে দিবে? প্রতিবেদনটি দেখুন।

উপসংহার: ২০২৬ সালের এসএসসি বোর্ড চ্যালেঞ্জ প্রক্রিয়াটি অনেক শিক্ষার্থীর জন্য একটি দ্বিতীয় সুযোগের মতো। ছোটখাটো করণিক ভুলের কারণে কারো ভবিষ্যৎ যেন থমকে না যায়, সেজন্যই শিক্ষা বোর্ডের এই পুনঃনিরীক্ষণ ব্যবস্থা। আশা করি, জানতে হবে (Jante Hobe)-এর এই বিস্তারিত নির্দেশিকা আপনাকে সঠিক পদ্ধতিতে আবেদন করতে এবং দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে সাহায্য করবে। হাবীব উল্লাহ (Habib Ullah) এবং আমাদের টিমের পক্ষ থেকে সকল শিক্ষার্থীর জন্য রইল শুভকামনা। আপনি যদি উপবৃত্তি সংক্রান্ত তথ্য পেতে চান, তবে আমাদের এসএসসি পাশের পর উপবৃত্তি ২০২৬ আবেদন পোস্টটি দেখুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *